জি কে শামীমকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

২৯৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ঠিকাদার এসএম গোলাম কিবরিয়া (জি কে) শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ রবিবার দুপুরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দুদক। মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে জানান দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

তিনি জানান, ২৯৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দয়েরকৃত একটি মামলায় তার অবৈধ সম্পদের ব্যপারে জিজ্ঞাসাবাদ করতে কমিশনের একটি দল রবিবার কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জি কে শামীমকে দুদকের সেগুন বাগিচার প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে আসে।

এরআগে শামীম ও খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদ ভূঁইয়াকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানান দুদকের এ কর্মকর্তা।

গত ২১ অক্টোবর সোমবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে শামীমের বিরুদ্ধে মামলা করে। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ২৯৭ কোটি আট লাখ ৯৯ হাজার ৫৫১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর জি কে শামীমের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। মামলার পরপরই অন্য মামলায় কারাগারে আটক শামীমকে কমিশনের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুদক। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তা মঞ্জুর করেন। পরে তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করে দুদক। শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের কার্যালয় থেকে ৬ দেহরক্ষীসহ তাকে আটক করে র‌্যাব। অভিযানে শামীমের কার্যালয় থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ নগদ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৬৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট রেট) জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়াও বিদেশি মুদ্রা ও মাদ জব্দ করা হয়।